চিরতরে…

0
494

ছাত্রলীগের হাতে নির্মমভাবে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ২৬ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েট কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

যে ২৬ ছাত্রকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ২৫ জন আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটভুক্ত আসামি। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলসহ সংগঠনটির বেশ কয়েকজন সাবেক নেতাকর্মী।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন: মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশররফ সকাল, মো. জিসান, মো. আকাশ, শামীম বিল্লাহ, মো. সাদাত, মো. তানিম, মো. মোর্শেদ, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অমিত সাহা, মাজেদুল ইসলাম, মো. মুজাহিদুল, মো. তানভীর আহমেদ, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মোয়াজ আবু হুরায়রা, মুনতাসির আল জেমি, মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, এস এম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ।

গত ৫ অক্টোবর দিল্লিতে হায়দ্রারাবাদ হাউসে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এসব চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ।

পরদিন রাতে বুয়েট শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।