ঝাড়খণ্ডে বিজেপির পতন

0
929

ঝাড়খণ্ডে ধরাশায়ী হলো ক্ষমতাসীন বিজেপি। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যটিতে বিজেপিকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট। মহারাষ্ট্রের পর ঝাড়খণ্ডে পরাজিত হয়ে বিজেপি আরও কোণঠাসা হয়ে পরলো।

কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) জোট। মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন জেএমএম নেতা হেমন্ত সরেন।

ভারতজুড়ে নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও নাগরিক নিবন্ধনপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে ঝড় উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির পরাজয় বিরোধী পক্ষের জন্য সুবিধা হলো। নির্বাচনী বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, সিএএ ও এনআরসি-র নেতিবাচক প্রভাব পরেছে বিজেপির ভোট ব্যাংকে। সূত্র: এনডি টিভি ও এএনআই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তাল অবস্থায় তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটের ফল ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে গেছে।

গত এক বছরে রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি।

নিউজ এজেন্সি এএনআই জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের বিধানসভার ৮১টি আসনের মধ্যে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ৪১টি। ঘোষিত ফলে ইতোমধ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ৩০টি, কংগ্রেস ১৬টি, জেভিএম ৩টি, এজেএসইউ ২টি ও আরজেডি ১টি আসনে জয় পেয়েছে বা এগিয়ে আছে। অন্যদিকে বিজেপির প্রাপ্তি ২৫টি আসন পেতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে ২২টি আসন। ৪টি আসনের ফল ঘোষণা বাকি রয়েছে।

কংগ্রেস জোটের জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস পরাজয় মেনে নিয়েছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র বিজয় শংকর শাস্ত্রী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানান, “ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ৬৫টি আসনে জয় আশা করছিল। উন্নয়নের বিষয়টি আমরা জনগণকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।”