মানুষের পাশে ছিলাম, থাকবো…

0
242
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার করোনা ভাইরাস মোকাবেলার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে দুর্যোগ (মহামারী) মোকাবেলা এবং দেশকেও সচল রাখার সব ধরণের কাজ আমরা করে যাচ্ছি। আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলেই হয়তো এটা সম্ভব হচ্ছে।

শনিবার সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার শুরুতে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এ সব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে রয়েছে এবং মানুষের পাশেই থাকবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি জনগণকে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন এবং এই আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে। করোনা মহামারীর সময়েও এটি প্রমাণ হয়েছে। কারণ, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসটাই আমাদের একমাত্র সম্বল, সেটাই আমাদের শক্তি।

এ সময় তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সবসময় জনগণের পাশে থাকারও পরামর্শ দেন।

ভূমিহীন এবং নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের ঘোষণা, প্রত্যেক গৃহহীনকে আমরা ঘর করে দেব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে করোনা, তারমধ্যে এলো ঘূর্ণিঝড় (আম্ফান) এবং বন্যা। সবমিলিয়ে সারাদেশের মানুষ একটা দুর্বিসহ অবস্থার মধ্যে ছিল। কিন্তু সে সময় আমাদের দল এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রত্যেক এলাকায় জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মানুষের পাশে ছিল। যারা হাত পাততে পারেন না এমন সব মানুষদের কাছে এসব নেতা-কর্মীরা রিলিফ পৌঁছে দিয়েছে। তারা চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিয়েছে, এমনকি মৃতদেহ সৎকারেও অংশ নিয়েছে।

এসবের খবর গণমাধ্যমগুলোতে না এলেও তার কাছে সেই তথ্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ প্রত্যেককে অন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সবার এ ভাবে আন্তকিতার সাথে দায়িত্ব পালনকে তিনি নজীরবিহীন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, আমার মনে হয়, একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল বলেই মানুষ এই সহযোগিতাটা পেয়েছে। এ জায়গায় অন্য কেউ থাকলে কত যে মানুষ মারা যেত, মানুষের কত যে দুরাবস্থা আর কত যে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হোত তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

করোনা পরিস্থিতির কারণে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় ৩২ জনকে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়। এর মধ্যে শুধু জাহাঙ্গীর কবির নানক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সভায় উপস্থিত হতে পারেননি।