মার্শাল ল’ বন্ধের আহ্বান

0
273

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সামরিক অভিধান’ থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, এটা দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।

সোমবার সকালে তিনি আর্মড ফোর্সেস সিলেকশন বোর্ড মিটিং ২০২০-এ এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়াল বৈঠকে এ কথা বলেন। খবর: বাসস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মার্শাল ল’ রক্তপাত ছাড়া দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। তাই, ‘সামরিক অভিধান’ থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেয়া উচিত।

জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলের ১৯টি ক্যু-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময়ে বহু সামরিক কর্মকর্তা ও সৈনিককে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের আমলে সশস্ত্র বাহিনীর এতো বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও সৈন্যকে হত্যা করা হয়েছে যে যুদ্ধেও এতো বিপুল সংখ্যক সৈন্য নিহত হয়নি। আমরা (সশস্ত্র বাহিনীতে) আর কোন ছেলে হারা পিতা বা পিতা হারা ছেলের কান্না শুনতে চাই না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর একের পর এক ক্যু’য়ের কারণে সশস্ত্র বাহিনী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এই সব ক্যু-এর নামে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্যকে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও একে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা সরকারের লক্ষ্য বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আমাদের পরিবারের সম্মানিত সদস্য। তারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্যকে সামরে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দেশের সুরক্ষা ও কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও সুসজ্জিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, মুখ্য সচিব ডক্টর আহমদ কায়কাউস ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফট্যানেন্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর সদরদফতর থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনের পাশাপাশি আধুনিক ও সময়োপযোগী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, ওই সময়ে জাতির পিতা সময়োপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি গ্রহণ করেন এবং তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক জান্তার দোসররা এবং যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত দেশের বিজয় মেনে নিতে পারেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর উদার নীতির মূল্যায়ণ করেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু রাষ্ট্রপতিকেই নয়, তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য এবং ওই বছরই ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না এই কলঙ্ক মুছে যাবে কিনা। এই সব হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে ১৯৭৫ সালের হত্যাকারীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেয়া বিজয়ের গৌরব হারিয়ে গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বঙ্গবন্ধুর প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে ফোর্সেস গোল-২০৩০ গ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধু সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ কিনে এই বাহিনীকে একটি আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তার সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে এনডিসি ওয়ার কলেজসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন এবং তিন বাহিনীর জন্য আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনা হয়।

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর, সশস্ত্র বাহিনীগুলো যেন সব দিক দিয়ে সক্ষম হয়, সে লক্ষ্যে আমরা নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সেনা অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতে আমরা আধুনিক হেলিকপ্টার কিনেছি।

নিজের শাসনামলে প্রথমবারের মতো নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট কেনা হয়েছে। এছাড়াও সাবমেরিন ও সামরিক হেলিকপ্টার কেনা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নৌবাহিনীকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীকে পরিণত করেছি।

বিরাট সমুদ্রসীমা অর্জন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সমুদ্র সম্পদকে আহরণ করার জন্য নৌবাহিনীকে সময়োপযোগী করতে গড়ে তুলতেই হবে।

বিমান বাহিনীর উন্নয়নের ব্যাপারে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারই প্রথমবারের মতো বিমান বাহিনীতে মিগ-২৯ জঙ্গি বিমান সংযুক্ত করেন। পাশাপাশি সর্বাধুনিক পরিবহণ বিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ও ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি কেনা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘বিমান বাহিনীর সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বৈমানিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি যুদ্ধ সরঞ্জামাদি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার আর্মি আইটি সাপোর্ট অর্গানাইজেশন এবং কম্পিউটার ওয়ার গেমস সেন্টার স্থাপন করেছে। আমরা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সব ধরনের আধুনিক উপকরণের ব্যবস্থা করেছি।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সব ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই না যে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর কোন বিভাগ পিছিয়ে থাকুক। আমরা চাই আমাদের এই বাহিনীর প্রতিটি বিভাগ সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ হোক। আর এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে কম প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র অতি জরুরি ব্যয় করতে অনুরোধ জানান। সরকার বিপুল পরিমাণ প্রণোদনা দেয়া সত্ত্বেও করোনাকালে কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে তিনি সে ব্যাপারে ভেবে দেখতে বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা করোনাকালে শুধুমাত্র অতি প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করব এবং কম গুরুত্বপূর্ণ খাতে কোন খরচ করব না। আর এভাবেই আমরা আবার সুদিন ফিরিয়ে আনব।

প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা, দেশপ্রেম, সততা, আনুগত্য, অভিজ্ঞতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং নেতৃত্বের গুণগত মান বিবেচনা করতে বলেন।

তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সবার মধ্যে যাতে আস্থা বৃদ্ধি পায়, সেজন্য ন্যায্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিন। আমি জানি, পোস্ট সীমিত বলে বহু লোক এর জন্য যোগ্য হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। তবু সবাইকে পদোন্নতি দেয়া সম্ভব হবে না। তা সত্ত্বেও যারা পদোন্নতির জন্য সত্যিকারের যোগ্য তাদেরই পদোন্নতি নিশ্চিত করা উচিত।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পদোন্নতি দেওয়ার সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস, পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সততা, সত্যবাদিতা, মাঠের অভিজ্ঞতা, আনুগত্য এবং কার্যকারিতা বিবেচনা করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস ও দেশপ্রেমের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নে বিশ্বাসীদের দায়িত্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন, যাতে তারা আগামী দিনে দেশকে সঠিক দিকে নিয়ে যেতে পারে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনা বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বুদ্ধিমত্তা, বিচার-বিবেচনা ও নিরপেক্ষতার বিষয়ে তার আস্থা রয়েছে এবং তারা পদোন্নতির জন্য যথাযোগ্য ব্যক্তিদের বেছে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীতে নারী অফিসার নিয়োগে তার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীরা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে খুবই ভালো করছেন এবং এভাবে সবার প্রশংসা অর্জন করছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য সত্যিই গর্বের বিষয় যে ২৭ জন নারী কর্মকর্তা প্যারাট্রোপিংয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন।’ নারীরা সকল সেক্টরে তাদের দক্ষতা দেখাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের দুইজন মহিলা পাইলটের ছবি দেখে আমার মন আনন্দে ভরে উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা দেশের মানুষ সর্বদা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে।

কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও স্বাভাবিক সময়ের মতো প্রতিটি খাতে প্রয়োজনীয় তহবিল বা অর্থ বরাদ্দ রেখে সরকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা সবাইকে এ বিষয়ে কৃচ্ছ্রতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে আমরা একটি বিশাল বাজেট দিয়েছি। তবে, এখনই সমস্ত অর্থ ব্যয় করার কথা ভাবা উচিত নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভার কাটাতে বড় শিল্পকে ৩০ হাজার কোটি টাকা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং আরএমজি কারখানাগুলোকে বেতন দেয়ার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে বিভিন্ন উদ্দীপনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অর্থনীতির চাকা সচল রাখার লক্ষ্যে অন্যদের জন্যও প্যাকেজ ঘোষণা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে রেমিট্যান্স হ্রাস পাবে বলে অনেক মহলের আশঙ্কা সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার এ লক্ষ্যে প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করার কারণে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ রেমিট্যান্স রয়েছে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী জনিত কারণে বিশ্ব দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হলে বাংলাদেশ যাতে খাদ্য সঙ্কটের মুখোমুখি না হয়, সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

শেখ হাসিনা খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতি খণ্ড আবাদি জমি চাষ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষিতে উদ্দীপনা প্যাকেজ প্রদানসহ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা একটি বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি যে সর্বশক্তিমান আল্লাহর রহমতে দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেবে না।

তিনি বলেন, তিনি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এক ইঞ্চি জমিও যাতে অনাবাদি পড়ে না থাকে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস মহামারী চলাকালে জনগণকে সব ধরনের সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বড় কাজ হচ্ছে মানুষের জন্য কাজ করা এবং আপনারা সেই কাজটি দক্ষতার সাথে করে যাচ্ছেন।