রাহুর কবলে আইপিএল

0
305

করোনার কারণে অনিশ্চিত অবস্থায় আছে ক্রিকেট বিশ্বের জমজমাট আয়োজন আইপিএল। মার্চের শেষ নাগাদ শুরু হওয়ার কথা ছিল আইপিএল। করোনা সে আয়োজনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৯ মার্চ থেকে আইপিএলের ১৩তম আসরের নির্ধারিত নির্ধারিত সূচি ভারতের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্থগিত করা হয়।

আইপিএল ২০১৯ এর জমকালো আয়োজন

বার্তা সংস্থা এএফপি বিসিসিআই’র ট্রেজারার অরুন ধামালকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আইপিএল পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেলে, বোর্ডের ৫শ’ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হবে। এই টুর্নামেন্ট থেকে বড় অংকের আয় হয়বিসিসিআই’র। ভারতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ১১ মিলিয়ন ডলার।

আইপিএল আয়োজনে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড মরিয়া। গেল সপ্তাহে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী বলেন, রুদ্ধদার স্টেডিয়ামে হলেও আইপিএল আয়োজন করা হবে।

আইপিএল গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল এএফপি’কে জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব না কমলে, ভারত থেকে সরে যেতে পারে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। তিনি বিদেশের মাটিতে আইপিএল আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

প্যাটেল বলেন, প্রথমে আমরা ভারতে আয়োজনের সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। যদি পরিস্থিতি আমাদের সুযোগ না দেয়, তবে আমরা অন্য বিকল্পের দিকে মনোযোগ দেবো।

তিনি আরও বলেন, আগামী মাসে বা পরবর্তী দুই মাসে পরিস্থিতি কি হয়, সেদিকে নজর থাকবে আমাদের। তারপরে একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো আমরা।

প্যাটেল জানান, আমি এখনো আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার টি-২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল আয়োজনের একটা উইন্ডো দেখছি।

এর আগে ভারতের জাতীয় নির্বাচনের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি দুই বার দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে আইপিএলের দ্বিতীয় আসর বসে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এরপর ২০১৪ আসরের প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

ইতোমধ্যে আরব আমিরাত ও শ্রীলংকা আইপিএলের ১৩তম আসর আয়োজনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

একুশটি টেস্ট ম্যাচ খেলুড়ে প্যাটেল বলেন, আইপিএল আয়োজনের জন্য আমরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে তাকিয়ে আছি। কিন্তু সবকিছ্ইু নির্ভর করছে, অন্যান্য টুর্নামেন্টের উপর। এই মূর্হুতে কোন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু আইপিএল আয়োজনের জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা ধরে রেখেছি।

পুরো আইপিএল আয়োজন করতে সাধারণত সাত সপ্তাহ লাগে। বিসিসিআই’র সভাপতি বলেছিলেন, সংক্ষিপ্ত করে আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে।