রোহিঙ্গা জঞ্জালদের ত্রাসের রাজত্ব

0
2207
সংঘর্ষে আহত এক রোহিঙ্গা। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়াকে জঞ্জালেই পরিণত করেনি, নিজেরাও স্থানীয়দের কাছে জঞ্জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুরা। দুই দিন ধরে তারা কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে।

গতকাল শনিবার শুরু হওয়া সংঘর্ষ থেমে থেমে চলেছে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত। পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার করতে ক্যাম্পের মুন্না গ্রুপ ও ইসলাম মাহাদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জন সন্ত্রাসী রোহিঙ্গা আহত হয়েছে।

ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানান, রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ই-ব্লকের মোহাম্মদ ফরিদ ও এফ ব্লকের নূর হাশিম, মাস্টার মুন্না এবং আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্পের আল-ইয়াকিন নেতা রফিকউদ্দিন, হাফেজ জাবেদ ও সাইফুলের মধ্যে পাঁচদিন ধরে ঝগড়া চলছে।

অপহরণ, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শুরু হয় এই বিবাদ। যা আস্তে আস্তে ক্যাম্পের পরিবেশকে অশান্ত করে তোলে।

রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের আমর্ড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন (এপিবিএন)-এর পরিদর্শক সালেহ আহমদ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা প্রায়ই বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটিয়ে থাকে।

১৪ এপিবিএন-এর অধিনায়ক আতিকুল ইসলামও ঘটনা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

তিন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের মুন্না গ্রুপের সাথে আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ইসলাম মাহাদ গ্রুপের বিরোধ চলছে। শনিবার ফাঁকা গুলি ছোড়ার মধ্য দিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। রোববারও থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়।

আতিকুল ইসলাম জানান, এপিবিএন-সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা এলে দুই গ্রুপের সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। সংঘর্ষে অংশ নেয়া রোহিঙ্গাদের আটকের চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, এই সংঘর্ষে ২০টিরও বেশি ঝুপড়ি ঘর ও পানি সরবরাহের বেশ কয়েকটি ট্যাঙ্কের ক্ষতি হয়েছে।