লিবিয়ায় নিহতদের পরিচয়

0
287

মানব পাচারকারীদের হাতে নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের পরিচয় জানা গেছে। লিবিয়ার উপকূলীয় শহর মিজদায় নিহত ২৩ জনের পরিচয় প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া তালিকা অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে ১১ জনের গ্রামের বাড়ি মাদারিপুর জেলায়। কিশোরগঞ্জ জেলার আছেন ৭ জন। এই ৭ জনের মধ্যে ৫ জনের বাড়িই ভৈরব উপজেলায়। বাকিদের বাড়ি ঢাকা, যশোর, মাগুরা ও গোপালগঞ্জ জেলায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলা থেকে বেঁচে যাওয়াদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

পরিচয় জানা নিহত ২৩ জন হলেন:

১। জুয়েল; গ্রাম: বিদ্যানন্দী, উপজেলা: রাজৈর, জেলা: মাদারিপুর

২। মানিক; গ্রাম: বিদ্যানন্দী, উপজেলা: রাজৈর, জেলা: মাদারিপুর

৩। আসাদুল; উপজেলা: টেকেরহাট, জেলা: মাদারিপুর

৪। আয়নাল মোল্লা; উপজেলা: টেকেরহাট, জেলা: মাদারিপুর

৫। জাকির হোসেন; উপজেলা: সদর, জেলা: মাদারিপুর

৬। জুয়েল-২; উপজেলা: সদর, জেলা: মাদারিপুর

৭। মনির; উপজেলা: টেকেরহাট, জেলা: মাদারিপুর

৮। মনির; গ্রাম: ইশবপুর, উপজেলা: রাজৈর, জেলা: মাদারিপুর

৯। সজীব; গ্রাম: ইশবপুর, উপজেলা: রাজৈর, জেলা: মাদারিপুর

১০। ফিরোজ; উপজেলা: সদর, জেলা: মাদারিপুর

১১। শামীম; গ্রাম: দুধখালী,উপজেলা: সদর, জেলা: মাদারিপুর

১২। আরফান; জেলা: ঢাকা

১৩। রহিম; হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ

১৪। রাজন; উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

১৫। শাকিল; উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

১৬। সাকিব মিয়া; গ্রাম: শ্রীনগর, উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

১৭। আকাশ; গ্রাম: রসুলপুর, উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

১৮। সোহাগ; উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

১৯। মোহাম্মদ আলী; উপজেলা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ

২০। সুজর; গোপালগঞ্জ

২১। কামরুল; গোপালগঞ্জ

২২। রাকিবুল; যশোর

২৩। লাল চান্দ; গ্রাম: নারায়ণপুর, ইউনিয়ন: বিনোদপুর, উপজেলা: মোহাম্মদপুর, জেলা: মাগুরা

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার লিবিয়ার উপকূলীয় শহর মিজদায় পাচারকারীদের হাতে ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জন নিহত ও ১১ জন বাংলাদেশি আহত হন। পাচারকারীরা ইউরোপে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাদের মিজদায় মুক্তিপণের জন্য জিম্মি করে রাখে। মরিয়া হয়ে জিম্মিরা পাচারকারীদের মূলহোতাকে হত্যা করে। এতে ক্প্তি হয়ে তার সহযোগী ও আত্মীয়রা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৩০ জনকে হত্যা করে।